ঘি ঐতিহ্যবাহী এবং রাজকীয় একটি খাদ্য উপাদান। এটি সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি খাবার হিসেবে পরিচিত যে কারণে এটিকে সুপার ফুড বলা হয়। আমরা এই ঐতিহ্যবাহী উপাদানটি অন্যান্য খাবারের পুষ্টিগুণ ও স্বাদ বাড়াতে খেয়ে থাকি। কিন্তু এটি শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না , সেই সাথে এতে রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। তাই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ থেকে পুষ্টিবিদরা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ঘি রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
১. গ্যাস্ট্রিক ও হজমের সমস্যা দূর করে।
২. চোখের জ্যাতি বাড়ায়।
৩. বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক ফর্মুলেশনে ব্যবহৃত হয় ঘি।
৪. মানসিক চাপ,উদ্বেগ কমিয়ে ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
৫. ঘি হলো প্রদাহ বিরোধী।
৬. ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে ঘি।
৭. গর্ভকালীন ঘি খাওয়া অনেক উপকারী। তবে চিকিৎসকের সাথে অবশ্যই পরামর্শ করে নিতে হবে।
৮. ঘি খেলে মিনারেল ও ফ্যাটি এসিড ভালোভাবে শোষিত হয়।
৯. ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে ঘি। এছাড়া মুখের ঘাসহ যেকোন সমস্যা দূরে রাখে।
১০. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
ঘি পুষ্টিকর ও নিরাময়কারী। কেউ কেউ ওজন কমানোর জন্য ঘি খেয়ে থাকে আবার কেউ ওজন বাড়াতে। হার্টের যেকোন সমস্যায় ঘি অত্যন্ত উপকারী।